Thursday , June 21 2018
Breaking News

মৃত্যুর আগে অসুস্থ দাদুর শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন এই নাতনী! হৃদয়স্পর্শী গল্পটি পড়লে…

মৃত্যুর আগে অসুস্থ দাদুর- ফু সুয়েই, চীনের ২৫ বছর বয়সী একজন নারী উদ্যোক্তা। তিনি কিছুদিন আগে বিয়ের কিছু ছবি প্রকাশ করেন যা সারা পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এই বিয়ে ছিল তার অসুস্থ দাদুর শেষ ইচ্ছা পূরণের জন্য। কি হয়েছিল আসলে? আসুন জেনে নেই এই হৃদয়স্পর্শী গল্পটি।

ফু সুয়েই, চীনের চেংদুর ২৫ বছর বয়সী একজন নারী উদ্যোক্তা।

তার বয়স যখন দশ বছর তখন তার মা-বাবার ডিভোর্স হয়ে যায়। এরপর তার দাদু-দাদী তাকে বড় করে তোলে।

ফু সুয়েই তার দাদু, দাদীকে খুব পছন্দ করে এবং সবসময় তাদের খেয়াল রাখে।

মৃত্যুর আগে অসুস্থ দাদুর শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন এই নাতনী! জেনে নিন হৃদয়স্পর্শী গল্পটি..

কিন্তু কিছুদিন আগে তার দাদু খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

তার দাদুর সবসময় একটাই ইচ্ছে ছিল। নিজের নাতনীকে বউয়ের সাজে দেখা, তার বিয়ে করানো।

ফু সুয়েই তার দাদুর এই অবস্থা দেখে খুব ভয় পেয়ে যায়। সে বুঝতে পারে তার দাদু হয়তো তাকে আর বিয়ে দিতে পারবে না। তাই সে খুব তড়িঘড়ি করে বিয়ের সাজে ছবি তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

যদিও কোন বর উপস্থিত ছিল না,তবুও ফু সুয়েই তার দাদুর জন্য একটি বিয়ের সাদা গাউন পরেন।

মৃত্যুর আগে অসুস্থ দাদুর শেষ ইচ্ছা পূরণ করলেন এই নাতনী! জেনে নিন হৃদয়স্পর্শী গল্পটি..

মিসেস ফু তার দাদুকে গির্জায় নিয়ে যায়। এরপর তাদের ঐতিহ্যগত নিয়মে দাদুর হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

এরকম দাদুকে জড়িয়ে ধরে।

যদিও হঠাৎ করেই এই ব্যবস্থা হয় তবুও মিস ফু এর দাদুকে খুব আকর্ষণীয় দেখাচ্ছিল।

মিস ফু বলেন, তার দাদুর অসুস্থতা জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি পালটে দিয়েছে। তিনি এখন বসে থাকবেন না। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি উপভোগ করবেন। কারণ প্রতিটি মুহূর্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ফু সুয়েই তার দাদুর সাথে অনেক ছবি তো তুলেছেনই, এছাড়া দাদুর স্মৃতি হিসেবে তার হাতে দাদুর চেহারার একটি উল্কি করিয়েছেন। তিনি বলেন, এভাবে দাদু সারাজীবন আমার পাশে থাকবেন।

এরকম ভালোবাসার গল্পগুলো আমাদের বেঁচে থাকার প্রেরণা দেয়। আমরা জানতে পারি ভালোবাসার শক্তি সম্পর্কে। এই ভালোবাসাই হয়ে ওঠে আমাদের পথ চলার পাথেয়।

আমাদের আয়োজন ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

Facebook Comments